বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হতে আবারও বিলম্বের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাতের কারণে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রত্যাবাসন শুরু করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৩১ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত বাংলাদেশ ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ রোহিঙ্গার তথ্য মিয়ানমারে পাঠিয়েছে। যাচাই করা ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫৪৫ জনের মধ্যে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জনকে রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
২০১৭ সালে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অভিযানের পর প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। বর্তমানে তাদের বড় অংশ কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে বসবাস করছে।
এদিকে ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গে আরাকান আর্মির সংঘাত চলছে। রাজ্যটির অধিকাংশ এলাকা বর্তমানে আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে থাকায় প্রত্যাবাসন নিয়ে নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে। এর আগে ২০১৮ ও ২০১৯ সালেও প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও কোনো রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফেরেনি।
মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের দ্বিপাক্ষিক বিষয় এবং পরিস্থিতি শান্ত হলে এ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।