দীর্ঘ এক সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় শোক, জানাজা ও শোকযাত্রার পর ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে দাফন করা হচ্ছে। পবিত্র ইমাম রেজার মাজার প্রাঙ্গণে তাকে সমাহিত করার আয়োজন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় নিহত হন খামেনি।
তার দাফন উপলক্ষে ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহরে গত এক সপ্তাহ ধরে শোকানুষ্ঠান ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার সকালে মাশহাদের রাস্তায় হাজারো মানুষ শোকমিছিলে অংশ নেন। তারা খামেনির ছবি, ইরানের জাতীয় পতাকা ও বিভিন্ন স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড বহন করেন।
শোক কর্মসূচিকে ঘিরে দেশটির ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব ব্যাপক জনসমাগমের আয়োজন করে, যা ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার প্রতি সমর্থনের বার্তা হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে দীর্ঘ সংঘাতের পর ইরান এখনো নানা অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। পাশাপাশি খামেনির দীর্ঘ ৩৭ বছরের শাসনের পর দেশটির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়েও আলোচনা ও মতবিরোধ চলছে।