আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এবার দেশের সব শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড জানিয়েছে, সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ শিক্ষার্থী, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১৯ হাজার ৫০০ জন বেশি। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে অংশ নিচ্ছে ২ লাখ ৮৬৯ জন। বাংলা প্রথমপত্রের মাধ্যমে শুরু হবে এবারের পরীক্ষা।
সারা দেশে ২ হাজার ৯৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১৪৫টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার ৪০টিই রাজধানী ঢাকায়। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রশ্নপত্র বিতরণ, উত্তরপত্র সংরক্ষণ, পরীক্ষাকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও নকল প্রতিরোধসহ ৩৫ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেছেন, প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগ নেই। কোনো ধরনের অনিয়ম বা প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট দিনের পরীক্ষা স্থগিত করে নতুন তারিখে নেওয়া হবে।
অন্যদিকে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, নকলের সঙ্গে জড়িত প্রমাণিত হলে শুধু পরীক্ষার্থী নয়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বছরের লিখিত পরীক্ষা চলবে ৮ আগস্ট পর্যন্ত। এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে শেষ হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা।