উত্তর আমেরিকা কমিউনিস্ট শাসিত দেশ কিউবা শহরটি তে বসবাসরত ১ কোটি মানুষের জীবন এখন গভীর সংকটময়। ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর নিষেধাজ্ঞা কিউবার মিত্র দেশগুলো থেকেও তেল সরবরাহ কমেছে। দেশটিতে এখন জ্বালানি তেলের সংকট বেড়েছে। আমেরিকার দাবি, কিউবা সরকার যেন তাদের পুরনো অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ভেঙে দেয়।
সিএনএনের সূত্রে জানা যায়, তেলের অভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ, রাস্তায় গাড়ি চলাচল বন্ধ সহ নানান বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়েছে দেশটি। এদিকে জ্বালানি বাঁচাতে স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে। বাধ্য হয়ে অনেক হাসপাতালে জরুরি সেবা বন্ধ করে দিতে হয়েছে। আবর্জনার কারনে রাস্তায় ময়লার স্তূপ জমেছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট গুলো এখন বন্ধ রয়েছে।
দেশটির প্রয়োজনীয় বেশির ভাগ খাবার বিদেশ থেকে আমদানি করতে হচ্ছে। পর্যাপ্ত পরিমাণ অর্থ ও তেলের অভাবে গ্রামাঞ্চল থেকে শহরে খাবার পৌঁছনো সম্ভব হচ্ছে না। এমনকি রান্নার গ্যাস পাওয়াও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।
এদিকে, জনগণকে সৃজনশীলভাবে টিকে থাকার এবং অল্প খাবারে অভ্যস্ত হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন কিউবার প্রেসিডেন্ট। সাধারণ জনগন এখন দেশ ছাড়ার কথা ভাবছেন। ম্যান্ডি প্রুনার মতো যারা একসময় বিলাসবহুল জীবনযাপন করতেন, তারা এখন নিজেদের গাড়ির লাইসেন্স জমা দিয়ে দিচ্ছেন। তাদের কাছে একটাই প্রশ্ন— খাবার আর তেল ছাড়া কত দিন বাঁচবেন তারা।