ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আগের দিন আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সারা দেশে দূরপাল্লার বাস চলাচল করবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ বাস-ট্রাক মালিক সমিতি। তবে ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি বাস চলাচলের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও কর্মীদের ছুটির কারণে অধিকাংশ সার্ভিস বন্ধ থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন বাস-ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি রমেশ চন্দ্র ঘোষ। তিনি বলেন, “১১ ফেব্রুয়ারি বাস চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। তবে ওই দিনের টিকিটের খুব বেশি চাহিদা নেই। বরং ১০ ফেব্রুয়ারির টিকিটের জন্য যাত্রীদের চাপ তুলনামূলক বেশি।”
ভোটের দিন বাস চলাচলের বিষয়ে তিনি আরও জানান, “১২ ফেব্রুয়ারি বাস চলাচলের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে বেশিরভাগ কর্মী ভোট দেওয়ার জন্য ছুটি চেয়েছেন। ফলে অধিকাংশ সার্ভিস বন্ধ থাকতে পারে। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর রাতে আবার কিছু সার্ভিস চালু হতে পারে।”
এর আগে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সারা দেশে যান চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮-এর ৩২ ধারা অনুযায়ী ভোটের দিন অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত।
এছাড়া ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত, মোট ৭২ ঘণ্টা সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।
তবে জরুরি প্রয়োজন এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কাজে ব্যবহৃত যানবাহনের ক্ষেত্রে এই বিধিনিষেধে শিথিলতা রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস ও স্থানীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় যান চলাচলের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ শিথিল থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।