বিয়ের জন্য পাত্রী খুঁজছেন দেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ—এমন একটি বিজ্ঞাপন সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। একইভাবে ‘পাত্র চাই’ বিজ্ঞাপনে দেখা গেছে অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের ছবিও। তবে বাস্তবে বিয়ের জন্য পাত্র-পাত্রী খুঁজছেন না এই দুই তারকা। এটি তাঁদের নতুন সিনেমা ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’-এর প্রচারণার অভিনব কৌশল।
ফেসবুকে প্রকাশিত ‘পাত্রী চাই’ বিজ্ঞাপনে পাত্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে ‘আনিসুর রহমান আনিস’-এর নাম। বয়স ৩৫ বছর এবং পেশায় সরকারি প্রকৌশলী। বিজ্ঞাপনে তাঁকে নম্র, সৎ, দায়িত্বশীল ও রান্নায় পারদর্শী হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। পাত্রের জন্য চাওয়া হয়েছে সম্ভ্রান্ত পরিবারের সুন্দরী পাত্রী। পাশাপাশি পাত্রের ছোট ভাই-বোনের দায়িত্ব নেওয়ার মতো অভিভাবকসুলভ পাত্রীকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
তবে বিজ্ঞাপনের ছবিতে দেখা গেছে আরিফিন শুভকে। বিষয়টি নিয়েই শুরু হয় কৌতূহল।
অন্যদিকে ‘পাত্র চাই’ বিজ্ঞাপনে পাত্রীর নাম দেওয়া হয়েছে ‘অনামিকা অনু’। বয়স ২৪ বছর, অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। নৃত্যকলায় পারদর্শী, ট্রেন্ডি ও ইনফ্লুয়েন্সার তরুণীর জন্য চাওয়া হয়েছে সৎ ও বুঝদার সুপাত্র। এ ক্ষেত্রেও রয়েছে কিছুটা ভিন্নধর্মী শর্ত—ফটোজেনিক ও ‘পিন্টারেস্ট পারফেক্ট’ পাত্রকে দেওয়া হবে বিশেষ অগ্রাধিকার।
এই বিজ্ঞাপনে ‘অনামিকা অনু’র ছবির জায়গায় দেখা গেছে অভিনেত্রী কেয়া পায়েলকে।
তাহলে কি সত্যিই বিয়ের জন্য পাত্র-পাত্রী খুঁজছেন এই দুই তারকা? সেই রহস্যের উত্তর মিলেছে বিজ্ঞাপনের শেষের ছোট্ট একটি লাইনে। সেখানে লেখা রয়েছে—‘বিজ্ঞাপনী স্বার্থে প্রচারিত’।
জানা গেছে, আরিফিন শুভ ও কেয়া পায়েল অভিনীত সিনেমা ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’-এর প্রচারণার অংশ হিসেবেই এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হয়েছে। সিনেমাটিতে শুভর চরিত্রের নাম আনিস, আর কেয়া পায়েলের চরিত্রের নাম অনামিকা।
অর্থাৎ পত্রিকার পাতায় প্রকাশিত এই ‘বিয়ের বিজ্ঞাপন’ বাস্তব কোনো ঘটনার নয়, বরং সিনেমাটির প্রচারণার কৌশল। আনিস ও অনামিকার সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত কোন দিকে গড়াবে, তার উত্তর পাওয়া যাবে ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ সিনেমার গল্পে।