জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এবারের আসরে নতুন ফরম্যাটে মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। চোখধাঁধানো স্টেডিয়াম, রোমাঞ্চকর লড়াই এবং নানা বিতর্কের মধ্যেও আর্থিক দিক থেকে ইতিহাস গড়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।
ফিফার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে সংস্থাটির মোট আয় হয়েছে প্রায় ১৫.২ বিলিয়ন ডলার (১ হাজার ৫২০ কোটি ডলার), যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ফিফা জানিয়েছে, এই বিপুল আয়ের বড় অংশ বিশ্বজুড়ে ফুটবলের অবকাঠামো উন্নয়ন ও তৃণমূল পর্যায়ে খেলাটির বিকাশে ব্যয় করা হবে।
বিশ্বকাপ চলাকালে রাজনৈতিক টানাপোড়েন, বিতর্কিত রেফারিং সিদ্ধান্ত এবং ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে ঘিরে সমালোচনা থাকলেও সেগুলো বাণিজ্যিক সাফল্যে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি।
পরিসংখ্যান বলছে, ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ থেকে ফিফার আয় হয়েছিল প্রায় ৭.৬ বিলিয়ন ডলার (৭৬০ কোটি ডলার)। এর আগে ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপ থেকে প্রায় ৫.৫ বিলিয়ন ডলার, ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপ থেকে ৪.৭ বিলিয়ন ডলার এবং ২০১০ সালের দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপ থেকে ৩.৩ বিলিয়ন ডলার আয় হয়েছিল।
সব মিলিয়ে, আয়-ব্যয়ের হিসাব ও বাণিজ্যিক সাফল্যের দিক থেকে ২০২৬ বিশ্বকাপ ফিফার ইতিহাসে সবচেয়ে লাভজনক আসর হিসেবে নতুন রেকর্ড গড়েছে।