মেসির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন জল্পনা, নজরে বড় ছেলে থিয়াগোর ফুটবল পথচলা।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে আর্জেন্টিনার টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন শেষ হয়েছে। সেই হতাশা কাটার আগেই লিওনেল মেসির ভবিষ্যৎ নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। তবে এর মাঝেই আর্জেন্টিনার সমর্থকদের একাংশ তাকিয়ে আছেন ২০৩০ সালের বিশ্বকাপের দিকে—যেখানে তারা দেখতে চান এক নতুন স্বপ্নের বাস্তবায়ন।
ফুটবল বিশ্বে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা মেসিকে ঘিরে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে একটি বিশেষ হিসাব। ২০৩০ সালে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপের শতবর্ষপূর্তি আসর। একই বছর মেসির বড় ছেলে থিয়াগো মেসিও ১৮ বছরে পা রাখবেন।
বর্তমানে ১৩ বছর বয়সী থিয়াগো খেলছেন ইন্টার মায়ামির যুব দলে। ফ্লোরিডার ফুটবল একাডেমিতে তার পারফরম্যান্সের দিকে নজর রয়েছে অনেকের। আর্জেন্টিনার সমর্থকদের আশা, প্রতিভার বিকাশ ধরে রাখতে পারলে ভবিষ্যতে বাবার পথ অনুসরণ করে জাতীয় দলের দরজায় কড়া নাড়তে পারেন থিয়াগো।
অনেক ভক্তের কল্পনা—একদিন আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা জার্সি গায়ে একই মাঠে দেখা যেতে পারে মেসি ও থিয়াগোকে। বাবা-ছেলের এমন দৃশ্য ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আবেগঘন মুহূর্ত হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করছেন তারা।
এর আগে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে থিয়াগোও জানিয়েছেন, বাবার মতো আর্জেন্টিনার জার্সি পরার স্বপ্ন দেখেন তিনি। এমনকি বাবার সঙ্গে জাতীয় দলের ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করা কিংবা একই মাঠে খেলার ইচ্ছার কথাও বলেছেন।
তবে সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেবে কি না, তা এখনো অনেক দূরের বিষয়। থিয়াগোর ধারাবাহিক উন্নতি, পেশাদার ফুটবলে তার প্রতিষ্ঠা এবং ভবিষ্যতের পারফরম্যান্সই নির্ধারণ করবে তার পথচলা।
তবুও আর্জেন্টাইন সমর্থকদের কল্পনায় এখন একটি ছবিই ঘুরছে—মেসির উত্তরসূরি হিসেবে থিয়াগো, আর ২০৩০ বিশ্বকাপে বাবা-ছেলের একসঙ্গে মাঠে নামার ঐতিহাসিক মুহূর্ত।