গাজীপুরের কাপাসিয়ায় একই পরিবারের পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন এক নারী, তার তিন সন্তান ও এক ভাই। এ ঘটনায় পরিবারের কর্তা মো. ফোরকানকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে খুঁজছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, উপজেলার রাউৎকোনা এলাকায় ভাড়া বাসায় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন ফোরকান। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার ভোরের মধ্যে কোনো এক সময়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নিহতরা হলেন— ফোরকানের স্ত্রী শারমিন (৩৫), মেয়ে মিম (১৫), মারিয়া (১২), শিশু কন্যা ফারিয়া (১) এবং শ্যালক রসুল। তাদের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর এলাকায়।
শুক্রবার (৮ মে) সকালে ফোরকানের এক আত্মীয় থানায় খবর দেন যে, ফোরকান ফোনে পাঁচজনকে হত্যার কথা জানিয়ে পালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ফোরকান দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং পারিবারিক অশান্তি লেগেই থাকত। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক বিরোধের জের ধরেই এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে পলাতক ফোরকানকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।