গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন কন্যা ও শ্যালককে হত্যার আলোচিত ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত ফোরকান মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে পদ্মা নদী থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এর আগে, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই ফোরকান মিয়া আত্মগোপনে ছিলেন। তাকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক ইউনিট অভিযান চালাচ্ছিল। তদন্তের একপর্যায়ে পদ্মা সেতুর ওপর থেকে একটি ব্যাগ ও কিছু কাপড় উদ্ধার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। পরে সেগুলো ফোরকানের বলে শনাক্ত করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পরিবারের পাঁচ সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যার পর ফোরকান পদ্মা সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঘটনার রাতে পরিবারের সদস্যদের খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক জাতীয় কিছু মিশিয়ে অচেতন করা হয়। এরপর গভীর রাতে ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে একে একে তাদের হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে অভিযুক্ত ফোরকান ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
এ মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকাজুড়ে চরম আতঙ্ক ও শোকের সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের জন্ম দিয়েছে এই পাঁচ হত্যার ঘটনা। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো ঘটনার বিস্তারিত কারণ ও পেছনের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।