ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়াতে সামুদ্রিক অবরোধের মতো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
রোববার (১২ এপ্রিল) নিজের ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ ইঙ্গিত দেন। ট্রাম্প বলেন, ইরানের অর্থনীতি দুর্বল করতে দেশটির তেল রপ্তানি আরও সীমিত করা এবং চীন ও ভারতের মতো বড় ক্রেতাদের কাছে সরবরাহ বাধাগ্রস্ত করাই যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য কৌশল হতে পারে।
এর আগে পাকিস্তানের রাজধানীতে অনুষ্ঠিত একটি শান্তি বৈঠকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি বলে জানা যায়। পারমাণবিক কর্মসূচি ও হরমুজ প্রণালি নিয়ে মতবিরোধের কারণে আলোচনায় অগ্রগতি হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।
চুক্তি না হওয়ায় ট্রাম্প ইরানকে দায়ী করে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দেন। তিনি পূর্বে ভেনেজুয়েলার ক্ষেত্রে সমুদ্রপথে সীমাবদ্ধতা আরোপের উদাহরণ টেনে বলেন, একই ধরনের কৌশল প্রয়োগ করা হলে ইরানের ওপর বড় ধরনের অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, সামুদ্রিক অবরোধ বলতে কোনো দেশের সমুদ্রপথে বাণিজ্য ও পণ্য পরিবহন নিয়ন্ত্রণ বা বাধাগ্রস্ত করাকে বোঝানো হয়। যুক্তরাষ্ট্র এ ধরনের পদক্ষেপ নিলে ইরানের তেল রপ্তানি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যা শুধু দুই দেশের সম্পর্কেই নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও বড় প্রভাব ফেলবে।