মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র বিরুদ্ধে চলমান কার্যক্রমের প্রেক্ষাপটে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন-কে রাজসাক্ষী করার প্রক্রিয়ায় প্রসিকিউশন টিমের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-এ নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ট্রাইব্যুনালের কোনো প্রসিকিউটর অনিয়মে জড়িত থাকলে তা বরদাস্ত করা হবে না বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।
এ সময় তিনি আরও জানান, জুলাই হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত মামলাগুলোর তদন্ত প্রক্রিয়া সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে কি না, সেটিও পুনরায় যাচাই করা হবে। তদন্তে কোনো ধরনের ত্রুটি বা গাফিলতি পাওয়া গেলে এবং আইনগত সুযোগ থাকলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এর আগে, সকালে ট্রাইব্যুনালের সার্বিক পরিস্থিতি এবং বিশেষ করে জুলাই আন্দোলন সংশ্লিষ্ট মামলাগুলো নিয়ে প্রসিকিউশন টিমের সব সদস্যকে নিয়ে বৈঠক করেন নবনিযুক্ত এই চিফ প্রসিকিউটর। বৈঠকে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন এবং মামলাগুলো দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।