আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে “নামসর্বস্ব” বেসরকারি সংস্থা পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট (পাশা) ১০ দশ হাজারের বেশি পর্যবেক্ষক কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত মুলতবি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব আখতার আহমেদের বরাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘পাশা’ নামে একটি এনজিও ১০ হাজার নির্বাচন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করবে বলে বলেছিল। নির্বাচন কমিশন থেকে তাদের বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছে। খোঁজখবর নিয়ে তাদের সক্ষমতা সম্পর্কে ইসি নিশ্চিত হতে পারেনি। এজন্য তাদের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কার্ড বিতরণ স্থগিত করা হয়েছে।
এবারের নির্বাচনে ৮১টি দেশীয় সংস্থার ৫৫ হাজার ৪৫৪ জনকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণে অনুমতি দেয়া হয়। এর মধ্যে পাশাকে সবচেয়ে বেশি পর্যবেক্ষণের অনুমতি দেয় ইসি। সংস্থাটির ১০ হাজার ৫৫৯ জন (১৯ শতাংশ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করার কথা ছিল।
জানা গেছে, নিজের বাসার মধ্যে একটি কক্ষকে সংস্থার কার্যালয় সাজিয়ে এক ব্যক্তিনির্ভর সংস্থা ‘পাশা’ একাই ১০ হাজার প্রযবেক্ষকের জন্য আবেদন করেন। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ হুমায়ুন কবীর নামের জনৈক ব্যক্তি। সংস্থানের লোককর্মী বা লোকসংখ্যা বলতে তিনিই একজন। এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ হলে আলোচনার সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে ইসি সচিব জানান, প্রতিবেদন প্রকাশের পর তারা ওই সংস্থাটিকে কীভাবে নিবন্ধন দেওয়া হয়েছিল তা খতিয়ে দেখেছে। তা ছাড়া এই প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা আছে কি না, তা মাঠপর্যায়েও খোঁজ নিয়েছে । সেখান থেকেও নেতিবাচক প্রতিবেদন আসে।