মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, জ্বালানি সরবরাহে সংকট ও খাদ্যশস্য পরিবহনে বিঘ্নের কারণে ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। এতে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি, খাদ্যনিরাপত্তাহীনতা ও দারিদ্র্য বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের বুধবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছর জ্বালানির দাম ৩২ শতাংশ বাড়তে পারে। ব্রেন্ট ক্রুড তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯২ ডলারে পৌঁছানোর পূর্বাভাসও দিয়েছে সংস্থাটি। একই সময়ে বিশ্বে তেলের সরবরাহ ৫ দশমিক ২ শতাংশ কমতে পারে, যা গত চার দশকের মধ্যে অন্যতম বড় পতন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালে খাদ্যপণ্যের দাম ১০ শতাংশের বেশি এবং কৃষিতে ব্যবহৃত সারের দাম ১৪ শতাংশ বাড়তে পারে। অন্যদিকে, সরবরাহ সংকট ও শিল্প খাতে চাহিদা বৃদ্ধির কারণে ধাতুর দাম ২৫ শতাংশ এবং স্বর্ণসহ মূল্যবান ধাতুর দাম ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের উপপ্রধান অর্থনীতিবিদ আয়হান কোসে বলেন, জ্বালানির বাড়তি ব্যয় ও বাণিজ্যে বাধার কারণে একাধিক পণ্যের দাম বাড়ছে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও খাদ্যনিরাপত্তার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ২৫টি দেশকে ইতিমধ্যে ৮৭০ কোটি ডলারের স্বল্প সুদের ঋণ ও অন্যান্য সহায়তা দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।