পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলায় গভীর রাতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি , হাত-পা বেঁধে লুটের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার ঠাকুরের হাট এলাকার জাফরাবাদ গ্রামে সংখ্যালগু নিতাই বাওয়ালির বাড়ি রবিবার গভীর রাতে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল পরিবারের সদস্যদের দেশীয় আস্রের মুখে জিম্মি করে হাত-পা বেঁধে স্বার্ণলংকার সহ নগদ টাকা লুটকওে নিয়ে যায়। উপজেলার বেতাগীসানকিপুর ইউনিয়নের ঠাকুরের হাট এলাকয় জাফরাবাদ গ্রামে রবিবার গভীর রাতে নিতাই বাওয়ালি বাড়ি এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রবিার গভীর রাতে ৮-১০ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল নিতাই বাওয়ালির ঘরের দড়জা ভেঙে প্রবেশ করে। এ সময় তারা দেশীয় অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদেও জিম্মি কওে হাত-পা বেঁধে ফেলে। পরে ডাকাতরা ঘরের আলমারি ভেঙে তিনভরি স্বর্ন ও নগদ ৫০হাজার লুট করে নেয় এবং আসবাবপত্র ভাংচুর করে। ডাকাত দল চলে যাওয়ার পর ভুক্তভোগীরা নিজেদের কোন ভাবে মুক্ত করে ডাকচিৎকার করলে স্থানীয়রা চলে আসে। পরে এলাকাবাসীদের সহায়তায় থানা পুলিশকে খরব দেয়। এই ঘটনায় এলাকায় আতংক বিজার করছে। এলাকাবাসীদের দাবি দ্রুত সময়ের মধ্যে ডাকাতদলের সদস্যদের চিহ্নিত করে আইনের আওয়াতায় আনার ।
ভুক্তভোগী নিতাই বাওয়ালি জানান, আমরা রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে ছিলাম। গভীর রাতে আমাদের ঘরের দড়জা ভেঙ্গে ৮-১০ জন লোক প্রবেশ করে পরিবারের সকলকে হাত-পা , চোঁখ বেঁধে একটি রুমে রাখে। পরে আমার নাতীকে কোলে নিয়ে গলায় দা দরে সকলকে বলে যা আছে বের করে দে। আমাদের ঘরের স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। পরে ডাকাত দল চলে যায়। আমরা ডাকচিৎকার করলে এলাকার লোকজন এসে আমাদের বাঁধন খুলে থানায় ফোন করে। থানা পুলিশ আমাদের সকলের কথা শুনে। আমরা বর্তমানে থানায় আছি।
স্থানীয় বাসিন্দা হরিদাস জানান, দীর্ঘ ২৪-২৫ বছরে আমাদের হিন্দু পরিবারে এমন ডাকাতি হয়নি। দশমিনা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনুরোধ করবো ডাকাত দলকে চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি করছি।
থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আবু সাহাদৎ মোঃ হাচনাইন পারভেজ জানান, ঘটনার বিষয় শুনে থানা পুলিশ পাঠানো হয়। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।