নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করতে রাজধানী ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো যুক্ত করে ১০টি রুটে চালু হচ্ছে নারীদের জন্য নির্ধারিত ‘পিংক বাস’। প্রাথমিকভাবে প্রতিটি রুটে একটি করে মোট ১০টি বাস চলবে। সকাল ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলাচল করবে এসব বাস। বিশেষ এই পরিবহনের চালক ও কন্ডাক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নারীরাই।
ঢাকার পাশাপাশি বগুড়া ও চট্টগ্রামেও দুটি করে পিংক বাস চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নারীদের কর্মস্থল, আবাসিক এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ পরিবহনকেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ করতেই এসব রুট নির্ধারণ করা হয়েছে।
ঢাকার পিংক বাসের রুট
১. নতুন বাজার (কোকাকোলা)-মতিঝিল
নতুন বাজার, উত্তর বাড্ডা, মধ্যবাড্ডা, মেরুল বাড্ডা, রামপুরা, মালিবাগ, কাকরাইল, পল্টন ও গুলিস্তান হয়ে মতিঝিল।
২. তালতলা-মতিঝিল
তালতলা, খিলগাঁও, বাসাবো, বৌদ্ধ মন্দির, মুগদা, কমলাপুর, আরামবাগ ও শাপলা চত্বর হয়ে মতিঝিল।
৩. ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার-জিপিও
ডেমরা, বাঁশের পুল, কাজলা, যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ, ওয়ারী, গুলিস্তান, পল্টন, সচিবালয় ও মৎস্য ভবন।
৪. মিরপুর-১০-মতিঝিল
মিরপুর-১০, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, আসাদগেট, কলাবাগান, শাহবাগ ও পল্টন হয়ে মতিঝিল।
৫. মিরপুর-মতিঝিল
মিরপুর-১২, মিরপুর-১০, মিরপুর-১, টেকনিক্যাল, শ্যামলী, ফার্মগেট, শাহবাগ ও গুলিস্তান হয়ে মতিঝিল।
৬. মিরপুর-১২-মতিঝিল
মিরপুর-১২, মিরপুর-১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, ফার্মগেট, শাহবাগ, প্রেস ক্লাব ও গুলিস্তান।
৭. নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা
চাষাঢ়া, শিবু মার্কেট, জালকুড়ি, সাইনবোর্ড, রায়েরবাগ, শনির আখড়া, টিকাটুলি ও গুলিস্তান হয়ে মতিঝিল।
৮. মোহাম্মদপুর-মতিঝিল
মোহাম্মদপুর, শঙ্কর, ধানমন্ডি-১৫, সিটি কলেজ, নিউমার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, শাহবাগ ও পল্টন হয়ে মতিঝিল ও কমলাপুর।
৯. আব্দুল্লাহপুর-মতিঝিল
আব্দুল্লাহপুর, আজমপুর, বিমানবন্দর, খিলক্ষেত, কুর্মিটোলা, বনানী, মহাখালী, ফার্মগেট, শাহবাগ, প্রেস ক্লাব ও গুলিস্তান হয়ে মতিঝিল।
১০. গাজীপুর-বিমানবন্দর
গাজীপুর শিববাড়ী, গাজীপুর চৌরাস্তা, বোর্ডবাজার, গাজীপুরা, আব্দুল্লাহপুর ও আজমপুর হয়ে বিমানবন্দর।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, পিংক বাস চালু হলে নারীদের দৈনন্দিন যাতায়াত আরও সহজ ও নিরাপদ হবে। বিশেষ করে কর্মজীবী ও শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোর মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি নারী চালক ও কন্ডাক্টর থাকায় গণপরিবহনে নারীদের স্বাচ্ছন্দ্যও বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।