মার্কিন নৌ অবরোধের চাপের মধ্যে ইরানকে বিকল্প হিসেবে ছয়টি স্থলপথ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এনডিটিভি-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব বিকল্প রুট ব্যবহার করে ইরান রাশিয়া, চীনসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখতে পারবে।
তবে পাকিস্তান একদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনায় মধ্যস্থতার ভূমিকা রাখলেও এমন অবস্থান নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছে।
বিশ্লেষকদের একাংশ পাকিস্তানের এই পদক্ষেপকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ কৌশলের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করছেন। মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ডেরেক জে গ্রসম্যান এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, পাকিস্তানের এ ধরনের অবস্থান ওয়াশিংটনের নীতির সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।
এদিকে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইসরায়েলও। ভারতে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার মন্তব্য করেছেন, মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
তবে ইরান-পাকিস্তান সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক কূটনৈতিক সমীকরণ নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান থাকায় পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।