ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় ও গুণী অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে রুপালি পর্দায় নিজের আলাদা অবস্থান তৈরি করেছেন। বর্তমানে আগের মতো নিয়মিত সিনেমায় দেখা না গেলেও দর্শকদের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা ও ভালোবাসা এখনো অটুট রয়েছে। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি তিনি নাটক, টেলিফিল্ম এবং ওটিটিতেও কাজ করেছেন।
সম্প্রতি এশিয়া পোস্টের অনুষ্ঠান ‘এপি স্টার’-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পূর্ণিমা তার কাজের অভিজ্ঞতা ও ক্যারিয়ার নিয়ে কথা বলেন। তিনি জানান, নাটক ও টেলিফিল্মে কাজ করার সময় অনেকেই তাকে প্রশ্ন করতেন— সিনেমার নায়িকা হয়ে তিনি কেন নাটকে কাজ করছেন। কেউ কেউ এমনও বলতেন, ফ্রিতে দেখা গেলে পরে তাকে আর সিনেমায় নেওয়া হবে না।
এ বিষয়ে পূর্ণিমা বলেন, নাটক ও টেলিফিল্ম সব জায়গাই তার জন্য কমফোর্ট জোন ছিল। বিশেষ করে ঈদকে কেন্দ্র করে ভালো গল্প পেলে এসব মাধ্যমে কাজ করতে তার বেশি ভালো লাগতো।
পরিচালক জাকির হোসেন রাজুর “এ জীবন তোমার আমার” চলচ্চিত্রের মাধ্যমে মাত্র ১৫ বছর বয়সে পূর্ণিমার বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে। সেখানে তার বিপরীতে অভিনয় করেন ফেরদৌস। পরবর্তীতে তিনি রিয়াজ, মান্না, শাকিব খান, রুবেল, আমিন খানসহ দেশের শীর্ষ নায়কদের বিপরীতে অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।
প্রায় শতাধিক সিনেমায় কাজ করা এই অভিনেত্রীর উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে “মনের মাঝে তুমি”, “ওরা আমাকে ভালো হতে দিল না” এবং “মধুর মিলন”।
২০১০ সালে কাজী হায়াৎ পরিচালিত “ওরা আমাকে ভালো হতে দিল না” সিনেমায় অভিনয়ের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন, যা তার ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় স্বীকৃতি।