আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানের বিরুদ্ধে আবারও সামরিক অভিযান চালানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আল-অ্যারাবিয়ার এক প্রতিবেদনে তার এমন বক্তব্য উদ্ধৃত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প দাবি করেন যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে সামরিক সক্ষমতা বাড়াচ্ছে এবং যুদ্ধজাহাজে উন্নতমানের অস্ত্র ও গোলাবারুদ মোতায়েন করা হচ্ছে। তার ভাষায়, অতীতের তুলনায় আরও শক্তিশালী অস্ত্র ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রয়োজন হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, যদি কোনো ধরনের চুক্তিতে পৌঁছানো না যায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র সেই সামরিক শক্তি ব্যবহার করতে প্রস্তুত রয়েছে এবং তা কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা হবে।
আসন্ন আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। ইসলামাবাদে শুরু হতে যাওয়া ওই বৈঠকে বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। অন্যদিকে ইরানের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ।
পরবর্তীতে ভিন্ন বক্তব্য দিচ্ছে। তার মতে, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ইস্যুতে ইরানের অবস্থান অস্পষ্ট, যা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সতর্কভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক জলপথ নিয়ে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ তোলেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ইরান আলোচনার টেবিলে থাকলেও বাস্তব পরিস্থিতি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করছে এবং বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।