ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে উপস্থিত ছিলেন দেশটির জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা। তবে এই বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
ইরানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা শুরু হওয়ার পর এমন গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এটিই প্রথমবার যে তিনি অংশ নেননি, যা ঘিরে নানা ধরনের আলোচনা শুরু হয়েছে।
জর্ডানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রোয়া নিউজ জানিয়েছে, ইরান পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত আলোচনার অংশ হিসেবেই এই বৈঠকটি আয়োজন করা হয়। বৈঠকে সামরিক ও রাজনৈতিক পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা উপস্থিত থেকে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।
তবে নেতানিয়াহুর অনুপস্থিতি রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে। এর আগে ইরান দাবি করেছিল, তাদের হামলায় নেতানিয়াহু নিহত হয়েছেন। যদিও তেহরান এ দাবির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি।
এদিকে কয়েকদিন ধরে প্রকাশ্যে না আসায় নেতানিয়াহুর স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনা চলছে।
মার্কিন রাজনৈতিক বিশ্লেষক জ্যাকসন হিংকল সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতানিয়াহুর ছেলে ইয়ার নেতানিয়াহুকে উদ্দেশ করে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী সত্যিই জীবিত আছেন কি না—এমন প্রশ্নও এখন জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছে।