যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় ইরান তার আকাশপথ বন্ধ করেছে। পূর্বানুমতি ছাড়া সব ধরনের ফ্লাইট নিষিদ্ধ থাকবে। তবে আন্তর্জাতিক বেসামরিক ফ্লাইটের আগমন ও প্রস্থান সীমিত আকারে অনুমোদিত থাকবে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকির পরিপ্রেক্ষিতেই এই আগাম প্রতিরক্ষামূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন ইতোমধ্যে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ও ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিসহ সম্ভাব্য হামলার একাধিক লক্ষ্যবস্তুর তালিকা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে জমা দিয়েছে। একই সঙ্গে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটি থেকে মার্কিন সেনা ও কর্মীদের আংশিকভাবে সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এই উত্তেজনা আঞ্চলিক পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছে। তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবকে জানানো হয়েছে—তাদের ভূখণ্ড বা আকাশপথ ব্যবহার করে ইরানে কোনো হামলা চালানো হলে, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ইরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তু হবে।
এরপর সৌদি আরব তেহরানকে আশ্বস্ত করে জানায়, তাদের আকাশপথ ব্যবহার করে ইরানে হামলার অনুমতি দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে সৌদি আরবে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে ওয়াশিংটন।