মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে দেশে তেল সংকটের সম্ভাবনার গুজব ছড়িয়ে পড়ায় রাজধানীতে পেট্রোল পাম্পগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্যণীয়। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের মতো আজ শনিবারেও সকাল থেকেই ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় গাড়ি ও মোটরসাইকেলের সারি পাম্পের বাইরে পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে, ফলে যানজটও সৃষ্টি হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বেশিরভাগ চালক ট্যাংক পূর্ণ করার জন্য বেশি পরিমাণ তেল নিচ্ছেন। কিছু পাম্পে বিক্রি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার ঘটনাও ঘটেছে।
যানবাহনে তেল বিক্রির জন্য বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) আগে থেকেই নির্দিষ্ট কোটার ব্যবস্থা করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মোটরসাইকেলে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২ লিটার, ব্যক্তিগত গাড়িতে ১০ লিটার অকটেন বা পেট্রোল, জিপ ও মাইক্রোবাসে ২০-২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাসে ৭০-৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও কনটেইনার ট্রাকে ২০০-২২০ লিটার ডিজেল দেওয়া হবে।
বিপিসি ও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দেশে জ্বালানি মজুত স্বাভাবিক এবং আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তবুও গুজব ছড়িয়ে পড়ায় সীমিত সময়ে পাম্পগুলোতে চাপ বেড়ে গেছে।