মধ্যপ্রাচ্যের যে আরব দেশগুলো আগে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে নামতে ইচ্ছুক ছিল না তারাই এখন এই যুদ্ধে অংশ নিতে চাপ দিচ্ছে।
সোমবার (২ মার্চ) সিএনএনকে এক বিবৃতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই দাবি করেন। তিনি বলেন, যে আরব দেশগুলো আগে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযানে যোগ দিতে ইচ্ছুক ছিল না, তারাই এখন যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় সক্রিয় ভূমিকা নেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে
এই আরব দেশগুলো ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ানোর কারণ হিসেবে ট্রাম্প বলেন, ইরান মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে হামলার মুখে পরার কারনে তারা এর পদক্ষেপ হিসেবে যুদ্ধে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রকে চাপ দিচ্ছে।
তিনি ইরানের পাল্টা আক্রমণ দেখে অবাক হয়ে বলে, ইরানিদের আক্রমণ দেখে আমরা অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। তাদের খুব কম হামলা করার কথা কিন্তু এখন তারা পুরোপুরি আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছে।
টানা ৪ দিন ধরে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার জবাবে তেহরানও কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখায়। তারা তেল আবিব এবং মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র এবং সশস্ত্র ড্রোন নিক্ষেপ করে। এর পরবর্তী দিনগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যের বাহরাইন, জর্ডান, কুয়েত, সৌদি আরব, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে আক্রমণ পরিচালনা করে ইরান
ইরানের এই আক্রমনাত্মক রূপকে কেন্দ্র করে সোমবার (২ মার্চ) ছয়টি আরব দেশের সাথে যোগ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র একটি জোরালো যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে। এই বিবৃতিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন অভিযানকে অযৌক্তিক বলে নিন্দা জানানো হয়।